যুদ্ধের উৎস সম্পর্কে কেনেথ ওয়ালটোজের উক্তি

যুদ্ধের উৎস সম্পর্কে কেনেথ ওয়ালটোজের উক্তি

“যুদ্ধের উৎস মানুষের স্বভাব, তাতে থাকা স্বার্থপরতা, দিশাহীন হিংস্রতা এবং অবশ্যই মানুষের নির্বুদ্ধিতা।”

—কেনেথ ওয়ালটজ

উক্তিটি ইংরেজিতে পড়ুন
উক্তিটির উৎস ও প্রসঙ্গ জানুন :

উদ্ধৃতিটির উৎস :

কেনেথ ওয়ালটজের এই উদ্ধৃতির উৎস হলো তাঁর ১৯৫৯ সালের বই Man, the State, and War-এর দ্বিতীয় অধ্যায়।

উদ্ধৃতির পূর্ণাঙ্গ অংশ :

“আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রথম ইমেজ অনুযায়ী, যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর অবস্থান মানুষের প্রকৃতি ও আচরণে। যুদ্ধের উৎপত্তি হয় স্বার্থপরতা, ভুল পথে চালিত আক্রমণাত্মক প্রবণতা এবং নির্বুদ্ধিতা থেকে।”

উদ্ধৃতিটির প্রসঙ্গ :

কেনেথ ওয়ালটজ বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধের কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এই উক্তিটি করেছিলেন। ওয়ালটজ কলাম্বিয়া ও বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘নব্য-বাস্তববাদ’ (Neorealism) তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। Man, the State, and War গ্রন্থে তিনি দেখান যে যুদ্ধের ব্যাখ্যাগুলোকে তিনটি স্তরে বা ‘ইমেজে’ ভাগ করা যায়।

১. প্রথম ইমেজ: মানুষের প্রকৃতি (Human Nature) :

মূল বক্তব্য :

প্রথম ইমেজ অনুযায়ী যুদ্ধের মূল কারণ হল মানুষের অন্তর্নিহিত স্বভাব। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী ধরে নেওয়া হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে স্বার্থপর, আক্রমণাত্মক, নির্বুদ্ধি অথবা ক্ষমতালোভী। যুদ্ধকে দেখা হয় ব্যক্তিগত ত্রুটির সমষ্টিগত রূপ হিসেবে।

দার্শনিক ভিত্তি :

ওয়ালটজ এই স্তরটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন চিন্তাবিদের নাম উল্লেখ করেছেন:

১) থুসিডাইডিস (Thucydides): মেলীয় সংলাপে দেখান, শক্তিশালীরা যা করতে পারে, দুর্বলীরা তা মেনে নেয়—একে তিনি মানব-স্বভাবের অনিবার্য নিয়ম বলে চিহ্নিত করেন।
২) হবস (Thomas Hobbes): প্রকৃতির অবস্থায় মানুষের জীবন “একাকী, দরিদ্র, নোংরা, পশুসুলভ ও সংক্ষিপ্ত”। যুদ্ধ এড়াতে মানুষ সামাজিক চুক্তি করে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে, কিন্তু সেই রাষ্ট্রের ভেতরেও স্বভাবের প্রভাব থেকে যায়।
৩) স্পিনোজা (Spinoza): মানুষের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মূল চালিকা শক্তি হলো আত্মরক্ষার প্রবৃত্তি (conatus)। এই প্রবৃত্তি যখন অন্যের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় রূপ নেয়, তখন সংঘর্ষ অনিবার্য।
৪) রুশো (Jean-Jacques Rousseau): Man, the State, and War–এর প্রথম ইমেজের আলোচনায় রুশোকে ওয়ালটজ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করেন। রুশো মনে করেন, মানুষ জন্মগতভাবে খারাপ নয়, কিন্তু সামাজিকীকরণের সময়ে অহংবোধ, প্রতিযোগিতা ও অমর্যাদাবোধ তৈরি হয় যা যুদ্ধের জন্ম দেয়।

আরও পড়ুন : মেলীয় সংলাপ কী?

ওয়ালটজের সমালোচনা

ওয়ালটজ প্রথম ইমেজকে অপর্যাপ্ত মনে করেন। তাঁর যুক্তি:

1. মানব-স্বভাব অপরিবর্তনীয় বলে ধরে নিলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ বন্ধ হয়ে যায়।
2. একই মানব-স্বভাবকে ব্যবহার করে পরস্পরবিরোধী তত্ত্ব দাঁড় করানো যায়—কেউ বলেন মানুষ সহজাতভাবে শান্তিপ্রিয়, কেউ বলেন আক্রমণাত্মক। ফলে এই স্তর কোনো নির্দিষ্ট নীতি-নির্দেশনা দিতে পারে না।
3. ব্যক্তির স্বভাবকে অপরিবর্তনীয় ধরলেও যুদ্ধের তীব্রতা ও ফ্রিকোয়েন্সি কেন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন হয়, তার ব্যাখ্যা দেয় না।

২. দ্বিতীয় ইমেজ: রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কাঠামো (Internal Structure of States) :

মূল বক্তব্য :

দ্বিতীয় ইমেজ যুদ্ধের কারণ খোঁজে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা, অর্থনৈতিক কাঠামো, মতাদর্শ বা সামাজিক সংঘাতে। ধারণাটি হলো: কিছু রাষ্ট্র প্রকৃতিগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় বা সম্প্রসারণবাদী হয়ে ওঠে তাদের অভ্যন্তরীণ গঠনের কারণে।

প্রধান তাত্ত্বিক উদাহরণ

ক) লিবারেল/গণতান্ত্রিক শান্তি তত্ত্ব (Democratic Peace Theory): 

ইমানুয়েল কান্টের ধারণার ওপর ভিত্তি করে বলা হয় যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলি পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ করে না। কারণ জনগণের সম্মতি ছাড়া যুদ্ধ শুরু করা কঠিন এবং প্রতিষ্ঠানগত চেক অ্যান্ড ব্যালান্স যুদ্ধের ঝুঁকি কমায়।

খ) মার্কসবাদী/লেনিনবাদী বিশ্লেষণ: 

লেনিনের Imperialism, the Highest Stage of Capitalism–এ যুদ্ধকে পুঁজিবাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের বাহ্যিক প্রকাশ বলা হয়। পুঁজিপতিরা বাজারের সন্ধানে ও পুঁজি রফতানির জন্য সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ চালায়।

গ) ইকোনমিক ন্যাশনালিজম: 

কিছু তত্ত্ব বলে যে রাষ্ট্র যখন অভ্যন্তরীণ অর্থনৈিক সংকটে পড়ে, তখন জনগণের মনোযোগ ঘুরিয়ে দিতে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংঘর্ষ সৃষ্টি করে (ডাইভারশনারি ওয়ার থিসিস)।

ওয়ালটজের সমালোচনা

১. অভ্যন্তরীণ কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা চূড়ান্ত কারণ নয়: উদাহরণস্বরূপ, নাৎসি জার্মানি বা সোভিয়েত রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা ভিন্ন ছিল, কিন্তু উভয়ই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শক্তি প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিল।
২. একই অভ্যন্তরীণ কাঠামোর রাষ্ট্র ভিন্ন আচরণ করতে পারে: অনেক গণতন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ না করলেও গণতন্ত্রী রাষ্ট্র অধিক গণতন্ত্রবিরোধী রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ করেছে। তাই শুধু অভ্যন্তরীণ কাঠামো দিয়ে যুদ্ধের পূর্ণ ব্যাখ্যা সম্ভব নয়।
৩. আন্তর্জাতিক চাপ : রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গঠন যেমনই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার চাপ (অন্য রাষ্ট্রের হুমকি) তাকে সেভাবে সাড়া দিতে বাধ্য করে।

৩. তৃতীয় ইমেজ: আন্তর্জাতিক নৈরাজ্য (International Anarchy) :

মূল বক্তব্য :

তৃতীয় ইমেজ যুদ্ধের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যকে চিহ্নিত করে। ওয়ালটজের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অনুপস্থিতি—অর্থাৎ, রাষ্ট্রগুলোর ওপরে কোনো বৈশ্বিক সরকার নেই। এই নৈরাজ্যের মধ্যেই প্রতিটি রাষ্ট্রকে নিজের নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করতে হয়।

কেন এটি অনন্য :

· নৈরাজ্য মানে বিশৃঙ্খলা নয়, বরং অনুক্রমের (hierarchy) অনুপস্থিতি। রাষ্ট্রগুলি আইনত সমান (সার্বভৌম), কিন্তু বাস্তবে ক্ষমতার পার্থক্য থাকে।

· নিরাপত্তা দ্বিধা (security dilemma) : 

একটি রাষ্ট্র যখন নিজের নিরাপত্তা বাড়ায় (অস্ত্র বৃদ্ধি, জোট গঠন), অন্য রাষ্ট্র তা হুমকি হিসেবে দেখে এবং তারাও নিজেদের সুরক্ষিত করে। এই প্রক্রিয়ায় অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা বাড়ে, যা যুদ্ধের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

· স্ব-সাহায্য ব্যবস্থা (self-help system) : 

আন্তর্জাতিক আইন বা নৈতিকতা থাকলেও তা বলবৎ করার কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই। তাই রাষ্ট্রগুলি সবসময় নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

ওয়ালটজের অবস্থান :

Man, the State, and War-এর শেষে ওয়ালটজ সিদ্ধান্ত নেন যে তৃতীয় ইমেজটি সবচেয়ে বেশি ব্যাখ্যামূলক শক্তি রাখে। কারণ:

· প্রথম ও দ্বিতীয় ইমেজ যুদ্ধের তাৎক্ষণিক কারণ বা অবস্থাগত কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে, কিন্তু যুদ্ধ কেন সবসময় সম্ভাব্য হয়ে থাকে, তার উত্তর শুধু তৃতীয় ইমেজ দেয়।
· “আন্তর্জাতিক নৈরাজ্যের কাঠামো না বদলালে” শুধু রাষ্ট্রের প্রকৃতি বা মানুষের স্বভাব বদলে যুদ্ধ বন্ধ হবে না।

পরবর্তীতে ওয়ালটজ তাঁর Theory of International Politics (১৯৭৯)-এ এই চিন্তাকে আরও কাঠামোবদ্ধ করেন, যা নব্য-বাস্তববাদ (neorealism) নামে পরিচিত। সেখানে তিনি তৃতীয় ইমেজকেই কেন্দ্রীয় তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রথম দুটি ইমেজকে “হ্রাসবাদী” (reductionist) বলে চিহ্নিত করেন।

তিনটি ইমেজের তুলনামূলক ছক :

ইমেজ কেন্দ্রীয় কারণ মূল প্রতিনিধি ওয়ালটজের মূল্যায়ন
প্রথম মানব-স্বভাব (স্বার্থপরতা, আগ্রাসন) হবস, স্পিনোজা, রুশো প্রয়োজনীয় কিন্তু অপর্যাপ্ত; অপরিবর্তনীয় ধরে নিলে শান্তির পথ বন্ধ
দ্বিতীয় রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কাঠামো (শাসন, অর্থনীতি) লেনিন, গণতান্ত্রিক শান্তি তাত্ত্বিকরা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপের কারণ ব্যাখ্যায় সীমিত
তৃতীয় আন্তর্জাতিক নৈরাজ্য (কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অভাব) ওয়ালটজ নিজে সবচেয়ে মৌলিক কারণ; কাঠামো না বদলালে যুদ্ধের সম্ভাবনা দূর হয় না

সমাপ্তি: তিনটি ইমেজের সমন্বয় :

ওয়ালটজ পুরোপুরি প্রথম ও দ্বিতীয় ইমেজকে বর্জন করেননি। তাঁর দৃষ্টিতে:

· যুদ্ধের তাৎক্ষণিক কারণ বা নির্দিষ্ট ঘটনা ব্যাখ্যায় প্রথম ও দ্বিতীয় ইমেজ ভূমিকা রাখে।
· কিন্তু যুদ্ধ কেন মানব-ইতিহাসের পুনরাবৃত্ত ঘটনা, তার কাঠামোগত ব্যাখ্যা শুধু তৃতীয় ইমেজ দিতে পারে।

পরবর্তীকালে এই তিন ইমেজের পদ্ধতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে এতটাই প্রভাবশালী হয় যে অনেক গবেষক যেকোনো যুদ্ধ বা সংঘাত বিশ্লেষণে ইচ্ছাকৃতভাবে এই তিন স্তরে কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন।

উদ্ধৃতিটি ওয়ালটজের প্রথম ইমেজটির সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত। যদিও যুদ্ধের কারণ সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব যুক্তি তৃতীয় স্তর বা ইমেজের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
----------xx-----------

"The source of war is human nature—the selfishness in it, aimless ferocity, and certainly human stupidity."

মন্তব্যসমূহ

আরও দেখুন : 👉 বরণীয় মানুষের স্মরণীয় কথা

অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় অমর্ত্য সেন অমিত মালব্য অরুন্ধতী রায় অর্ধেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় অলডাস হাক্সলি অস্কার ওয়াইল্ড অ্যাঞ্জেলা ডেভিস অ্যাঞ্জেলা মার্কেল অ্যাডলাই স্টিফেনসন অ্যাডাম স্মিথ অ্যানিটা ব্রুকনার অ্যান্ড্রু জ্যাকসন অ্যারন কোপল্যান্ড অ্যারিস্টটল অ্যালবার্ট আইনস্টাইন অ্যালান ওয়াটস অ্যালান প্যাটন অ্যালান মুর অ্যালান সেভরি অ্যালিস ওয়াটার্স অ্যালেক্সিস হার্ম্যান আইজ্যাক গোল্ডবার্গ আওরঙ্গজেব আগাথা ক্রিস্টি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় আচার্য সত্যেন্দ্র দাস আদি শঙ্করাচার্য আবু হামিদ আল গাজ্জালি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা আব্রাহাম লিংকন আমির খসরু আর্থার শোপেনহাওয়ার আর্থার সি ক্লার্ক আলফ্রেড নোবেল আলবার্ট আইনস্টাইন আলব্যার কাম্যু আলী হোসেন আলেকজান্ডার আলেকজান্দ্রিয়া ওকাশিয়ো-কর্তেজ আল্লামা ইকবাল আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি ইবনে সিনা ইমানুয়েল কান্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইয়াসের আরাফাত ইয়েভগেনি ইয়েভতুশেঙ্কো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উইনস্টন চার্চিল উইলিয়াম শেক্সপিয়ার উডি অ্যালেন উমর খালিদ ঋত্বিক ঘটক এ পি জে আবদুল কালাম এডওয়ার্ড গিবন এডওয়ার্ড মুঙ্ক এডওয়ার্ড স্নোডেন এডগার অ্যালান পো এম এস স্বামীনাথন এমা গোল্ডম্যান এরিয়েল ডুরান্ট এলভিস প্রেসলি এলিজিয়ার ইউডকভস্কি এলিফ শাফাক কনফুসিয়াস কপিল সিবল কমলা হ্যারিস কর্নেল সোফিয়া কুরেশি কল্পনা দত্ত কাজী নজরুল ইসলাম কার্ট কোবেন কার্ট ভনেগাট কার্ল ইয়ুং কার্ল মার্কস কাহিল জিব্রান কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস কেশবচন্দ্র সেন কৌটিল্য ক্রিস পিরিলো ক্ষিতিমোহন সেন খালিদা পারভিন খালেদ হোসেইনি গুন্টার গ্রাস গুরজাদা আপ্পা রাও গোবিন্দ পানসারে গোল্ডা মেয়ার গৌতম বুদ্ধ গ্রেটা থুনবার্গ চন্দন রায় চাই জিং চাণক্য চার্লস বুকোওস্কি চিনুয়া আচেবে চে গেভারা জঁ পল সার্ত্র জওহরলাল নেহেরু জন এফ কেনেডি জর্জ অরওয়েল জর্জ ওয়াশিংটন জর্জ ক্যানিং জিড্ডু কৃষ্ণমূর্তি জিমি কার্টার জিমি হেনড্রিক্স জুলস রেনার্ড জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট জেমস গ্রাহাম ব্যালার্ড জেমস বোভার্ড জোসেফ কনরাড জ্যাক-ইভেস কৌস্তু জ্যোতি বসু জ্যোতিরাও ফুলে টম পলিন টমাস জেফরসন টমাস মান ড. আহমদ শরীফ ড. মহাম্মদ ইউনুস ড. মায়া অ্যাঞ্জেলু ড. মেঘনাথ সাহা ডঃ রণজিৎ বসু ডরিস লেসিং ডেভিড অ্যাটেনবরো ডেরেক ও’ব্রায়ান ডেসমন্ড টুটু থিওডোর রুজভেল্ট থিচ নাট হান দলাই লামা দীনেশচন্দ্র সেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্যুতি মুখোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদী নাইজেল ফারাজে নাওমি উলফ নাওমি ক্লাইন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নেপোলিয়ন বোনাপার্ট নেলসন ম্যান্ডেলা নোম চমস্কি পল ভ্যালেরি পাবলো ক্যাসালস পার্থ চট্টোপাধ্যায় পিটার ইয়ারো পিথাগোরাস পূর্ণদাস বাউল পেট্রা নেমকোভা পেরিয়ার পোপ দ্বিতীয় জন পল পোপ ফ্রান্সিস প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রতুল মুখোপাধ্যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশান্ত ভূষণ প্লুটার্ক প্লেটো ফিদেল কাস্ত্রো ফেই ফেই লি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ফ্রান্সিস বেকন ফ্রান্সেসকা ওরসিনি ফ্রিডরিখ নিৎশে ফ্রেড অ্যালেন ফ্লোরা লুইস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বব ডিলান বব মার্লে বল্লভভাই প্যাটেল বান কি-মন বারাক ওবামা বার্ট্রান্ড রাসেল বার্নি স্যান্ডার্স বি আর আম্বেদকর বিচারপতি বিনোদ দিবাকর বিনায়ক দামোদর সাভারকার বিপ্লবী গণেশ ঘোষ বিমান বসুর মন্তব্য বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বেগম রোকেয়া বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বেনিতো মুসোলিনি বেল হুকস ভগৎ সিং ভলতেয়ার ভি এস নইপল ভি এস নয়পল ভিক্টর হুগো ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ভ্যালারি জিঙ্ক ভ্লাদিমির লেনিন মকবুল ফিদা হুসেন মনমোহন সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাত্মা গান্ধী মহাবীর মহাভারত মাও সে তুং মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি মাওলানা ভাসানী মাদার টেরেসা মাদ্রী কাকোটি মার্ক টোয়েন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্গারেটর থ্যাচার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্টিন স্করসেজি মালালা ইউসুফজাই মাহদী মোহাম্মদী মাহমুদ দারুউইশ মিলন কুন্দেরা মিশেল ফুকো মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মে ওয়েস্ট মেরি শেলি মোহন ভাগবত মোহাম্মদ আলী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ম্যালকম এক্স যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত যদুনাথ সরকার যুধিষ্ঠির যোগেশচন্দ্র বাগল রঘুরাম রাজন রঞ্জন চক্রবর্তী রঞ্জিত সেন রণজিৎ গুহ রবার্ট ফ্রস্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজীব গান্ধী রামকিংকর বেজ রামকৃষ্ণ পরমহংস রিচার্ড ডকিন্স রুপসা রায় রুপি কাউর রেভারেন্ড অ্যান্ডু ফুলার রোজা পার্কস রোমিলা থাপার লর্ড এলগিন লি হুইটনাম লিও তলস্তয় লিওঁ ট্রটস্কি লুডভিগ উইটগেনস্টাইন লুপিতা নিইয়ং’ও লেনার্ড বার্নস্টাইন লেমনি স্নিকেট শংকরাচার্য শতাব্দী দাস শময়িতা চক্রবর্তী শমীক লাহিড়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শিবরাম চক্রবর্তী শিবাজী শিমন পেরেস শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শুভময় মিত্র শুভেন্দু অধিকারী শেখ মুজিবুর রহমান শেন ওয়ার্ন শ্রী সারদা দেবী শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভাগবত গীতা শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর শ্রীশ্রীআনন্দমূর্তি সক্রেটিস সত্যজিৎ রায় সমরেশ বসু সম্রাট আকবর সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন সান ইয়াত সেন সালমান রুশদি সিগমুন্ড ফ্রয়েড সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় সিমোন দ্য বোভোয়া সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সেবাস্তিয়ান লেলিয়ো সেরেনা উইলিয়ামস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সৌরভ গাঙ্গুলী স্টিফেন কিং স্টিফেন হকিং স্ট্যানলি কুব্রিক স্ট্রিট গ্যাং স্বামী বিবেকানন্দ স্যাম অল্টম্যান স্যার উইলিয়াম জোন্স স্লাভোজ জিজেক হওয়ার্ড জিন হজরত আলী হজরত মুহাম্মদ হযরত মুহাম্মদ হাইপেশিয়া হাফেজ ই সিরাজী হায়ায়ো মিয়াজাকি হিটলার হিপোক্রেটিস হিমাংশী নারওয়াল হেনরি ফোর্ড হেরাক্লিটাস হেরাস হেলমুট নিউটন হেলেন কেলার হোরেস হোসে সরামাগো
আরও দেখান

আরও দেখুন : 👉 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্মরণীয় উক্তি

অবতার অবৈতনিক শিক্ষা অভাবি মানুষ অভিবাসী অমুসলিমদের অধিকার অরাজনৈতিক লেখক অর্থ বা টাকা অর্থনীতি অর্থনৈতিক সংস্কার অর্ধসত্য অলসতা অসততা অসত্য অসহিষ্ণুতা অসাম্য অহিংসা আইন আইনজীবী আত্ম সমীক্ষা আত্মরক্ষা আদর্শ সমাজ আধুনিক বিজ্ঞান আধ্যাত্বিক জীবন আমলাতন্ত্র আমলাদের ভূমিকা আমেরিকান ড্রিম আমেরিকার আরব ইসরাইল যুদ্ধ ইংরেজ ঐতিহাসিক ইংরেজ শাসন ইউক্রেন ইউনিয়ন ইউপিএ সরকার ইচ্ছা ইতিহাস ইনকাম ট্যাক্স ইসরাইল ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ ইসরাইলি গণহত্যা ইসলাম ইসলাম ধর্ম ঈশ্বর ঈশ্বর-দর্শন উকিল উদারনীতি উদারপন্থী উদ্দেশ্য উদ্বাস্তু উন্নতি উন্নয়ন উপকথা উপনিষদ উৎপাদন উৎসব একনায়কতন্ত্র ওয়াকফ আইন ওয়াল স্ট্রিট ওষুধ ঔদ্ধত্য ঔপনিবেশিকতা কবি ও কবিতা কবিতা কমিউনিজম কর্ম কলকাতা কল্পনা কাজ কাপুরুষতা কার্য-কারণ সম্পর্ক কাশ্মীরের নিরাপত্তা কুম্ভ মেলা কুসংস্কার কূটনীতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৃষি ব্যবস্থা কৃষি ব্যবস্থার সমস্যা কৃষিকাজ কৃষির সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক কোরআন ক্যান্সার ক্যারিশমা ক্রিয়াবাদের মূলনীতি ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি ক্ষমতা ক্ষমাশীলতা ক্ষুদ্রতা ক্ষুধা খরা ও বন্যা খোলা বাজার অর্থনীতি গণতন্ত্র গণনা গণহত্যা গবেষণা গো ভক্তি গো-হত্যা ঘৃণা বিদ্বেষ চাওয়া চাকরি চিকিৎসা চিন চিনা প্রবাদ চিন্তা চেতনা ছাত্র যুব জঙ্গল জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব জনবহুল শহর জন্তু জমির অধিকার জলবায়ু জাতপাত জাতিবিদ্বেষ জাতীয় আয় জাতীয় সুরক্ষা এজেন্সি জাতীয়তাবাদ জাতীয় পতাকা জায়নবাদ জিজিয়া কর জীবন জীবিকা জৈন ধর্ম জ্ঞান জ্ঞান চর্চা জ্ঞানী জ্ঞানী ব্যক্তি ঝুঁকি ডাক্তার ডাক্তারের দায়িত্ব ডেমোক্রেটিক পার্টি তিক্ততা তীর্থ দয়া দারিদ্র দাসত্ব দায়িত্ব দুঃখ দুঃখী মানুষ দুঃখের কারণ দুর্নীতি দূষণ দেখা দেশ দেশ ও ধর্ম দেশদ্রোহী দেশপ্রেম দ্বিজাতিতত্ত্ব ধনতন্ত্র ধনী ও ক্ষমতাধর ধরিত্রী ধর্ম ধর্ম ও উদারতা ধর্ম ও রাজনীতি ধর্মগুরু ধর্মগ্রন্থ ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মরাষ্ট্র ধর্মান্তরকরণ ধর্মীয় নিপীড়ন ধর্ষণ ধার্মিক ধৈর্যশীলতা নজরদারি ব্যবস্থা নতুন চিন্তা নতুন প্রজন্ম নদী নাগরিকত্ব নামকরণ নারী নারী অধিকার নারী আন্দোলন নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন নারী স্বাধীনতা নারীবাদ নারীবিদ্বেষ নারীর সাফল্য নাস্তিকতা নিন্দা নিয়ম নির্বাচন নির্বাচন কমিশন নির্বোধ নীরবতা নেতৃত্ব নৈরাজ্য ন্যায়বিচার ন্যায় পথ চলার নীতি পরমাণু যুদ্ধ পরিবর্তন পরিবার ভেঙে যাওয়া পরিবেশ দূষণ পরিশ্রম পরিসংখ্যান পলিটিক্যল কারেক্টনেস পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত পহেলগাও পাগল পাপ পাসওয়ার্ড পুঁজি পুঁজিপতি পুঁজিবাদ পুথিপাঠ পুরুষ পুরুষ মানুষ পুরোহিত পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলা পূজা পৃথিবী পৃথিবীর সৃষ্টি পৌরাণিক কাহিনি প্যালেস্টাইন প্রকৃতি প্রতিকৃতি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি প্রতিজ্ঞা প্রতিবাদ প্রতিভা প্রয়াণ দিবস প্রযুক্তি প্রস্তুতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রিয় হবার কারণ প্রেম ফ্যাসিজম ফ্যাসিবাদ বক্তা বজ্রপাত বড় বিষয় বন্ধু বাঁশি বাঁশির সুর বাংলা ভাষা বাংলা ভাষা আন্দোলন বাংলা সাহিত্য বাংলাদেশ বাকস্বাধীনতা বাঙালি বার্ধক্য বিচার বিভাগের ক্ষমতা বিচার বিভাগের ভুল বিচারব্যবস্থা বিজয় বিজেপি সরকার বিজ্ঞান বিজ্ঞান চেতনা বিদ্যা বিদ্রোহ বিপর্যয় বিপ্লব বিবাহ বিশৃঙ্খলা বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বাস বিশ্বের মূল সমস্যা বুড়ো হাওয়া বুদ্ধি বুদ্ধিমত্তা বুদ্ধিমান মানুষ বৃহৎ শহর বেহেস্ত বৈবাহিক ধর্ষণ বৈষম্য বোঝাপড়া বৌদ্ধধর্ম ব্যক্তি জীবন ব্যক্তি স্বার্থ ব্যবসা ব্রাহ্মণ ব্রিটিশ শিল্প ব্যবস্থা ভক্তি ও ভক্তিভাজন ভগবান ভয় ভর্তুকি ভারত ভারতবর্ষ ভারতীয় জনগণ ভারতীয় সংবিধান ভারতীয় সেনাবাহিনী ভারতের অর্থনীতি ভারতের ধর্ম ভালো থাকা ভালো নাগরিক ভালোবাসা ভাষা ভাষার বিলুপ্তি ভোট ভ্রাতৃত্ববোধ মত প্রকাশের স্বাধীনতা মন মনুষ্যত্ব মনের ব্যথা মন্দির মন্দির-মসজিদ বিতর্ক মহাকুম্ভ মহান আত্মা মহাবিশ্ব মহাভারত মহামারী মা মাতৃভাষা মানব পাচার মানব সভ্যতা মানবধিকার মানবসম্পদ মানুষ মানুষ হত্যা মারাঠা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিউজিসিয়ান মিডিয়া মিথ্যা মুক্তির উপায় মুঘল সম্রাট মুসলমান মুসলিম বিজয় মৃত্যু মেধাবী মেয়েদের ক্ষমতা মোবাইল ফোন যুক্তি যুক্তিবাদী মানুষ যুদ্ধ রণকৌশল রাগ রাজধর্ম রাজনীতি রাজনীতিবিদ রাজনৈতিক ক্ষমতা রাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি রোগ নিরাময় লক্ষ্য লাল ফিতা লেখক শঙ্কা শান্তি শান্তি পর্ব শাস্তি শিক্ষক শিক্ষকতা শিক্ষা শিক্ষাল্পতা শিক্ষিত বাঙালি শিক্ষিত মানুষ শিখ গণহত্যা শিখ-বিরোধী দাঙ্গা শিল্পের ভাষা শিল্পের স্বাধীনতা শিশু শিশুশ্রম শুদ্ধ ও সঠিক চিন্তা শূদ্র জাতি শোষক শোষণ শ্রম শ্রমিক শ্রেণি শ্রীলঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠ সংখ্যালঘু সংগীত সংবিধান সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার সংবেদনশীলতা সংস্কার সংস্কৃত ভাষা সংস্কৃতি সততা ও শিক্ষা সতর্কতা সত্য সন্ত্রাসবাদ সন্দেহ সন্ন্যাসী সবুজ উদ্ভিদ সমাজ সমাজ বিষয়ক সমাজচ্যুত দল সমাজতন্ত্র সমৃদ্ধি সম্পদ সম্মান সম্মেলন সরকার সহিষ্ণুতা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সাধারণতন্ত্র সাফল্য সামাজিক স্বাধীনতা সাম্প্রদায়িকতা সাম্যবাদ সাম্রাজ্যবাদ সাহস সাহিত্যিক সিদ্ধান্ত সিনেমা বানানো সুখ সুন্দরতম জিনিস সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সুশাসন সৃষ্টিকর্তা সোনা সৌন্দর্য স্কুল বোর্ড স্ট্রিট গ্যাং স্ত্রীকে লেখা পত্র স্থায়িত্ব স্পিন বোলিং স্বপ্ন স্বর্গ স্বাধীনতা স্বাধীনতা সম্পর্কিত স্বামী স্বাস্থ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা স্লোগান হালকা হওয়া হাসি হিংসা হিন্দু হিন্দু ধর্ম হিন্দু মহাসভা হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক হিন্দু মেলা হিন্দু রাষ্ট্র হিন্দু শাস্ত্র হিন্দু সমাজ হিন্দুত্ব হিন্দুদের সুরক্ষা হিন্দুর ভগবান হিন্দুশাস্ত্রে বিজ্ঞান
আরও দেখান

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ