ক্ষমতাই চরিত্রের দর্পণ— আব্রাহাম লিংকনের উক্তি

কারো চরিত্র বুঝতে ক্ষমতাই একমাত্র হাতিয়ার

আব্রাহাম লিংকনের প্রতিকৃতি এবং বাংলায় তাঁর উক্তি: "প্রায় সব মানুষই প্রতিকূলতা সহ্য করে। কিন্তু যদি কারো চরিত্র বুঝতে চাও, তাকে ক্ষমতা দাও।" নিচে ব্লগের নাম ও ইউআরএল। Portrait of Abraham Lincoln and Bengali quote: “Nearly all men can stand adversity, but if you want to test a man's character, give him power.” with blog name and URL
আব্রাহাম লিংকন : ক্ষমতাই চরিত্রের দর্পণ
প্রায় সব মানুষই প্রতিকূলতা সহ্য করে। কিন্তু যদি কারো চরিত্র বুঝতে চাও, তাকে ক্ষমতা দাও। — আব্রাহাম লিংকন।

ভূমিকা :

“প্রায় সব মানুষই প্রতিকূলতা সহ্য করে। কিন্তু যদি কারো চরিত্র বুঝতে চাও, তাহলে তাকে ক্ষমতা দাও”—এই বিখ্যাত উক্তিটি সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকনের নামে প্রচলিত। ইংরেজিতে উক্তিটির মূল রূপ হলো: “Nearly all men can stand adversity, but if you want to test a man's character, give him power.” এই গভীর জীবনদর্শন সম্বলিত বাক্যটি মানব প্রকৃতির এক চিরন্তন সত্যকে তুলে ধরে—প্রতিকূলতা মানুষকে ভাঙতে পারে না বটে, কিন্তু প্রকৃত চরিত্রের পরীক্ষা হয়, তার হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার পর।
মনে রাখতে হবে :
এখানে ‘adversity’ শব্দের প্রকৃত অর্থ ‘প্রতিকূলতা’, ‘দুঃখ-কষ্ট’ বা ‘বিপর্যয়’ (শত্রুতা নয়, যদিও কোন কোন অনুবাদক এই শব্দটির অর্থ ‘শত্রুতা’ বলে উল্লেখ করে থাকে। যেমন, ‘এই সময়’ সংবাদপত্র।)। অর্থাৎ উক্তিটির সঠিক বঙ্গানুবাদ হলো: “প্রায় সব মানুষই প্রতিকূলতা সহ্য করতে পারে, কিন্তু যদি কোনো মানুষের চরিত্র পরীক্ষা করতে চাও, তবে তাকে ক্ষমতা দাও।”

উৎস :

উক্তিটির উৎস নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে। আব্রাহাম লিংকনের নামে এটি বহুল প্রচলিত হলেও, তাঁর কোনো লিখিত দলিল, ভাষণ বা চিঠিতে এই উক্তিটির হুবহু উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে লিংকনের জীবনদর্শন, নেতৃত্বের ধরন এবং সমসাময়িক ব্যক্তিদের স্মৃতিকথায় তাঁর মন্তব্যের সাথে এই উক্তির ভাবগত মিল রয়েছে। অনেক গবেষক মনে করেন, লিংকন তাঁর বক্তব্য বা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করতেন, যা পরবর্তীতে জনসমাজে ছড়িয়ে পড়ে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই উক্তিটির প্রাথমিক উৎস বা ঐতিহাসিক নথিপত্রে এর সুনির্দিষ্ট যোগসূত্র পাওয়া যায় ১৮৮৩ সালে। লিঙ্কনের মৃত্যুর পর প্রখ্যাত মার্কিন বক্তা ও আইনজীবী রবার্ট জি. ইনগারসোল (Robert G. Ingersoll) লিঙ্কনের ওপর একটি স্মরণীয় বক্তৃতা দেন। সেখানে তিনি লিঙ্কনের শাসনকাল ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করতে গিয়ে এই বিখ্যাত বক্তব্যটি উপস্থাপন করেন।

লিংকন নিজে আজীবন দারিদ্র্য, ব্যর্থতা, রাজনৈতিক পরাজয় ও ব্যক্তিগত শোকের মতো অসংখ্য প্রতিকূলতা সহ্য করেছেন। একাধিক ব্যবসায়িক ব্যর্থতা, নির্বাচনে পরাজয়, সন্তান হারানোর বেদনা—সবকিছু মোকাবিলা করেও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা মানুষের সহজাত, কিন্তু ক্ষমতা পেলে মানুষ তার আসল রূপ দেখায়। তাঁর মতে, ক্ষমতা হলো এক ধরনের দর্পণ, যা মানুষের অন্তর্নিহিত নৈতিকতা, বিনয় ও সংযমের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করে।

তথ্যসূত্র ও প্রামাণিকতা

উক্তিটির প্রথম প্রকাশ : রবার্ট জি. ইনগারসোলের বিখ্যাত বক্তৃতা “Abraham Lincoln: A Lecture” (১৮৮৩)।

সাহিত্যিক স্বীকৃতি: বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, নেতৃত্ববিষয়ক বই এবং নীতিশাস্ত্রের আলোচনায় আব্রাহাম লিঙ্কনের নামে এটি সর্বাধিক উদ্ধৃত উক্তিগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছে।

মূল বক্তব্যের গভীর বিশ্লেষণ :

উক্তিটির প্রথম অংশ—“প্রায় সব মানুষ প্রতিকূলতা সহ্য করে”—মানুষের সহনশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে। প্রতিকূলতা, দুঃখ, ব্যর্থতা কিংবা বৈরিতার মুখোমুখি হলে মানুষ সাধারণত ধৈর্য ধারণ করে, লড়াই চালিয়ে যায় এবং টিকে থাকার চেষ্টা করে। এটি মানব প্রকৃতির এক স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইতিহাসে এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে যেখানে মানুষ চরম দারিদ্র্য, নিপীড়ন বা বিপর্যয়ের মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। কষ্টের সময় মানুষ নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, কারণ, তখন বাঁচার তাগিদ থাকে, লক্ষ্য থাকে সুস্পষ্ট।

কিন্তু উক্তিটির দ্বিতীয় অংশে রয়েছে আসল চমক—“কারো চরিত্র বুঝতে গেলে তাকে ক্ষমতা দাও।” ক্ষমতা একটি জটিল ও দ্বিমুখী শক্তি। এটি মানুষের হাতে তুলে দিলে তার অন্তর্নিহিত প্রবৃত্তিগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। ক্ষমতা মানুষকে স্বাধীনতা দেয়, নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেয়। এই স্বাধীনতাই পরীক্ষা করে মানুষটি প্রকৃতপক্ষে কেমন। ক্ষমতা পেয়ে কেউ বিনয়ী হয়, কারও মাথা ঘুরে যায়; কেউ অন্যের কল্যাণে কাজ করে, কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে। অর্থাৎ, প্রতিকূলতা মানুষের ধৈর্য ও সহনশীলতা পরীক্ষা করে, কিন্তু ক্ষমতা মানুষের নৈতিকতা, সততা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তির পরীক্ষা নেয়।

ক্ষমতার দ্বৈত প্রকৃতি :

বস্তুত উক্তিটির গভীরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, মানুষের স্বভাবের মধ্যে দুটি মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সত্য লুকিয়ে রয়েছে:

  1. প্রতিকূলতার বাধ্যবাধকতা: চরম প্রতিকূলতা বা দুঃখ-কষ্টের মুখে মানুষ বিনয়ী হতে বা সহ্য করতে বাধ্য হয়। কারণ তখন তার হাতে বিকল্প কম থাকে। টিকে থাকার লড়াইয়ে সহনশীলতা প্রদর্শন করা মানুষের একপ্রকার প্রাকৃতিক বাধ্যবাধকতা, যা তার আসল চরিত্র নাও প্রকাশ করতে পারে।
  2. ক্ষমতার স্বাধীনতার পরীক্ষা: কিন্তু কোনো ব্যক্তি যখন ক্ষমতা, সম্পদ বা পদের অধিকারী হয়, তখন তার ওপর থেকে বাধ্যবাধকতার শৃঙ্খল সরে যায়। ক্ষমতা মানুষকে ইচ্ছামতো কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়। এই স্বাধীন অবস্থায় সে অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করছে, দুর্বলকে দমন করছে নাকি রক্ষা করছে—তাতেই প্রকাশ পায় তার নৈতিকতার আসল রূপ।

আসলে, ক্ষমতা কোনো মানুষের ভেতরে নতুন চরিত্র সৃষ্টি করে না, বরং তার গভীরে লুকিয়ে থাকা চরিত্রটিকে কেবল উন্মোচিত করে।

অর্থাৎ ক্ষমতা একটি আয়নার মতো, যা মানুষের আসল চেহারা প্রতিফলিত করে। ইতিহাসে দেখা যায়, অনেক মানুষ যাঁরা বিরোধী দলে থাকাকালীন ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের কথা বলেছেন, তাঁরা ক্ষমতায় গিয়ে সেই আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করেছেন। আবার এমনও নেতা রয়েছেন, যাঁরা চরম ক্ষমতার মধ্যেও নিজের সততা ও নম্রতা বজায় রেখেছেন। আব্রাহাম লিংকন নিজে এর উজ্জ্বল উদাহরণ। গৃহযুদ্ধের সময় প্রায় একনায়কতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি সংবিধান, আইনের অনুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থেকেছেন। দাসপ্রথা বিলোপের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ও তিনি প্রতিহিংসা নয়, বরং পুনর্মিলন ও সমতার নীতি গ্রহণ করেছিলেন।

অন্যদিকে, ইতিহাসের অনেক শাসক আছেন যাঁরা প্রতিকূলতার সময় বিপ্লবী আদর্শে উজ্জীবিত ছিলেন, কিন্তু ক্ষমতায় বসে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠেন। ফরাসি বিপ্লবের নেতারা, যাঁরা স্বাধীনতা-সাম্য-ভ্রাতৃত্বের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ পরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। রোবসপিয়ারের নাম এ প্রসঙ্গে সর্বজনবিদিত। ইতিহাস বলছে, ক্ষমতা তাঁর চরিত্রের অন্ধকার দিকটি প্রকাশ করে দিয়েছিল। এখানেই লিংকনের উক্তিটির গভীরতা—ক্ষমতা একটি পরীক্ষাগার, যেখানে মানুষের প্রকৃত চরিত্রের রাসায়নিক বিশ্লেষণ ঘটে।
বিষয় প্রতিকূলতার প্রভাব (Adversity) ক্ষমতার প্রভাব (Power)
চরিত্রের ধরন এটি মানুষের সহনশীলতা ও টিকে থাকার ক্ষমতা প্রকাশ করে। এটি মানুষের নৈতিকতা, বিনয় ও মূল ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে।
মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান মানুষ ধৈর্য ধারণ ও আত্মরক্ষায় বাধ্য থাকে (বিকল্প কম থাকে)। মানুষ বাধ্যবাধকতাহীন পূর্ণ স্বাধীনতা পায়।
মনোভাবের প্রকাশ মানুষ সাধারণত নম্র, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকে। মানুষের প্রকৃত ভালো বা খারাপ রূপ (বিনয়ী নাকি উদ্ধত) সামনে আসে।
মনোবল ও পরীক্ষা প্রতিকূলতা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়। ক্ষমতা মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সততার পরীক্ষা নেয়।
রূপক অর্থ এটি বাঁচার ও টিকে থাকার এক প্রাকৃতিক উদ্দীপক। এটি একটি দর্পণ বা আয়না, যা ভেতরের চরিত্রকে উন্মোচিত করে।

সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা :

বর্তমান বিশ্বেও এই উক্তির প্রাসঙ্গিকতা অপরিসীম। রাজনীতি, কর্পোরেট জগৎ, সামাজিক সংগঠন—সর্বত্রই ক্ষমতার অপব্যবহার একটি গুরুতর সমস্যা। ব্যক্তিগত জীবনেও দেখা যায়, কোনো ব্যক্তির সামান্য পদোন্নতি হলে বা কর্তৃত্ব পেলে তার আচরণে আমূল পরিবর্তন আসে। যে ব্যক্তি আগে বন্ধুসুলভ ও সহযোগিতাপরায়ণ ছিলেন, ক্ষমতা পেয়ে তিনিই উদ্ধত ও অসহনশীল হয়ে পড়েন। আবার কেউ কেউ ক্ষমতাকে সেবার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন, নিজের অবস্থানকে অন্যের কল্যাণে নিয়োজিত করেন। এই পার্থক্যই নির্ধারণ করে কে প্রকৃত নেতা আর কে নিছক ক্ষমতালিপ্সু।

ক্ষমতার এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রয়োজন দৃঢ় নৈতিক ভিত্তি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্ববোধ। যিনি ক্ষমতার চেয়ে নীতিকে বড় মনে করেন, তিনিই পারেন ক্ষমতার মোহ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে। লিংকনের এই উক্তিটি তাই শুধু পর্যবেক্ষণ নয়, এটি একটি সতর্কবার্তা—ক্ষমতা দেওয়ার আগে ভেবে দেখো, কারণ ক্ষমতাই মানুষের আসল রূপ প্রকাশ করে দেয়।

উপসংহার :

অর্থাৎ যেকোনো সমাজ, রাজনীতি বা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে দায়িত্ব বা ক্ষমতার আসনে বসানোর পর তাঁর আচরণ পর্যবেক্ষণ করাই চরিত্র পরিমাপের শেষ কষ্টিপাথর—এই নীতিই উক্তিটির মূল নির্যাস।

আব্রাহাম লিংকনের এই অমর উক্তিটি, এককথায় মানব মনস্তত্ত্বের এক গভীর সত্যকে ধারণ করে আছে। প্রতিকূলতা মানুষের ধৈর্য ও সহনশীলতার পরীক্ষা নেয় ঠিকই, কিন্তু ক্ষমতা হলো তার চরিত্রের চূড়ান্ত পরীক্ষাগার। ইতিহাস, সাহিত্য এবং আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা—সব জায়গাতেই এই সত্যের প্রতিফলন দেখা যায়। তাই ক্ষমতা দেওয়ার সময় সাধারণ মানুষকে বিচক্ষণ হতে হয়, আর ক্ষমতা পেলে প্রয়োজন নম্রতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তা প্রয়োগের সদিচ্ছা। কারণ, ক্ষমতা মানুষের মধ্যে থাকা সেরাটিকেও যেমন জাগিয়ে তুলতে পারে, তেমনি লুকিয়ে থাকা সবচেয়ে কদর্য দিকটিকেও প্রকাশ করে দিতে পারে। এখানেই লিংকনের উক্তিটির চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতা—এটি আমাদের শেখায় যে, প্রকৃত চরিত্রের পরিচয় মেলে চাপের মুখে নয়, বরং ক্ষমতার অলিনদে সহজ  বিচরণের অধিকার থাকার সময়।
---------✦✦✦---------

মন্তব্যসমূহ

আরও দেখুন : 👉 বরণীয় মানুষের স্মরণীয় কথা

অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় অমর্ত্য সেন অমিত মালব্য অরুন্ধতী রায় অর্ধেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় অলডাস হাক্সলি অস্কার ওয়াইল্ড অ্যাঞ্জেলা ডেভিস অ্যাঞ্জেলা মার্কেল অ্যাডলাই স্টিফেনসন অ্যাডাম স্মিথ অ্যানিটা ব্রুকনার অ্যান্ড্রু জ্যাকসন অ্যারন কোপল্যান্ড অ্যারিস্টটল অ্যালবার্ট আইনস্টাইন অ্যালান ওয়াটস অ্যালান প্যাটন অ্যালান মুর অ্যালান সেভরি অ্যালিস ওয়াটার্স অ্যালেক্সিস হার্ম্যান আইজ্যাক গোল্ডবার্গ আওরঙ্গজেব আগাথা ক্রিস্টি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় আচার্য সত্যেন্দ্র দাস আদি শঙ্করাচার্য আবু হামিদ আল গাজ্জালি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা আব্রাহাম লিংকন আমির খসরু আর্থার শোপেনহাওয়ার আর্থার সি ক্লার্ক আলফ্রেড নোবেল আলবার্ট আইনস্টাইন আলব্যার কাম্যু আলী হোসেন আলেকজান্ডার আলেকজান্দ্রিয়া ওকাশিয়ো-কর্তেজ আল্লামা ইকবাল আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি ইবনে সিনা ইমানুয়েল কান্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইয়াসের আরাফাত ইয়েভগেনি ইয়েভতুশেঙ্কো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উইনস্টন চার্চিল উইলিয়াম শেক্সপিয়ার উডি অ্যালেন উমর খালিদ ঋত্বিক ঘটক এ পি জে আবদুল কালাম এডওয়ার্ড গিবন এডওয়ার্ড মুঙ্ক এডওয়ার্ড স্নোডেন এডগার অ্যালান পো এম এস স্বামীনাথন এমা গোল্ডম্যান এরিয়েল ডুরান্ট এলভিস প্রেসলি এলিজিয়ার ইউডকভস্কি এলিফ শাফাক কনফুসিয়াস কপিল সিবল কমলা হ্যারিস কর্নেল সোফিয়া কুরেশি কল্পনা দত্ত কাজী নজরুল ইসলাম কার্ট কোবেন কার্ট ভনেগাট কার্ল ইয়ুং কার্ল মার্কস কাহিল জিব্রান কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস কেশবচন্দ্র সেন কৌটিল্য ক্রিস পিরিলো ক্ষিতিমোহন সেন খালিদা পারভিন খালেদ হোসেইনি গুন্টার গ্রাস গুরজাদা আপ্পা রাও গোবিন্দ পানসারে গোল্ডা মেয়ার গৌতম বুদ্ধ গ্রেটা থুনবার্গ চন্দন রায় চাই জিং চাণক্য চার্লস বুকোওস্কি চিনুয়া আচেবে চে গেভারা জঁ পল সার্ত্র জওহরলাল নেহেরু জন এফ কেনেডি জর্জ অরওয়েল জর্জ ওয়াশিংটন জর্জ ক্যানিং জিড্ডু কৃষ্ণমূর্তি জিমি কার্টার জিমি হেনড্রিক্স জুলস রেনার্ড জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট জেমস গ্রাহাম ব্যালার্ড জেমস বোভার্ড জোসেফ কনরাড জ্যাক-ইভেস কৌস্তু জ্যোতি বসু জ্যোতিরাও ফুলে টম পলিন টমাস জেফরসন টমাস মান ড. আহমদ শরীফ ড. মহাম্মদ ইউনুস ড. মায়া অ্যাঞ্জেলু ড. মেঘনাথ সাহা ডঃ রণজিৎ বসু ডরিস লেসিং ডেভিড অ্যাটেনবরো ডেরেক ও’ব্রায়ান ডেসমন্ড টুটু থিওডোর রুজভেল্ট থিচ নাট হান দলাই লামা দীনেশচন্দ্র সেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্যুতি মুখোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদী নাইজেল ফারাজে নাওমি উলফ নাওমি ক্লাইন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নেপোলিয়ন বোনাপার্ট নেলসন ম্যান্ডেলা নোম চমস্কি পল ভ্যালেরি পাবলো ক্যাসালস পার্থ চট্টোপাধ্যায় পিটার ইয়ারো পিথাগোরাস পূর্ণদাস বাউল পেট্রা নেমকোভা পেরিয়ার পোপ দ্বিতীয় জন পল পোপ ফ্রান্সিস প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রতুল মুখোপাধ্যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশান্ত ভূষণ প্লুটার্ক প্লেটো ফিদেল কাস্ত্রো ফেই ফেই লি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ফ্রান্সিস বেকন ফ্রান্সেসকা ওরসিনি ফ্রিডরিখ নিৎশে ফ্রেড অ্যালেন ফ্লোরা লুইস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বব ডিলান বব মার্লে বল্লভভাই প্যাটেল বান কি-মন বারাক ওবামা বার্ট্রান্ড রাসেল বার্নি স্যান্ডার্স বি আর আম্বেদকর বিচারপতি বিনোদ দিবাকর বিনায়ক দামোদর সাভারকার বিপ্লবী গণেশ ঘোষ বিমান বসুর মন্তব্য বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বেগম রোকেয়া বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বেনিতো মুসোলিনি বেল হুকস ভগৎ সিং ভলতেয়ার ভি এস নইপল ভি এস নয়পল ভিক্টর হুগো ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ভ্যালারি জিঙ্ক ভ্লাদিমির লেনিন মকবুল ফিদা হুসেন মনমোহন সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাত্মা গান্ধী মহাবীর মহাভারত মাও সে তুং মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি মাওলানা ভাসানী মাদার টেরেসা মাদ্রী কাকোটি মার্ক টোয়েন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্গারেটর থ্যাচার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্টিন স্করসেজি মালালা ইউসুফজাই মাহদী মোহাম্মদী মাহমুদ দারুউইশ মিলন কুন্দেরা মিশেল ফুকো মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মে ওয়েস্ট মেরি শেলি মোহন ভাগবত মোহাম্মদ আলী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ম্যালকম এক্স যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত যদুনাথ সরকার যুধিষ্ঠির যোগেশচন্দ্র বাগল রঘুরাম রাজন রঞ্জন চক্রবর্তী রঞ্জিত সেন রণজিৎ গুহ রবার্ট ফ্রস্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজীব গান্ধী রামকিংকর বেজ রামকৃষ্ণ পরমহংস রিচার্ড ডকিন্স রুপসা রায় রুপি কাউর রেভারেন্ড অ্যান্ডু ফুলার রোজা পার্কস রোমিলা থাপার লর্ড এলগিন লি হুইটনাম লিও তলস্তয় লিওঁ ট্রটস্কি লুডভিগ উইটগেনস্টাইন লুপিতা নিইয়ং’ও লেনার্ড বার্নস্টাইন লেমনি স্নিকেট শংকরাচার্য শতাব্দী দাস শময়িতা চক্রবর্তী শমীক লাহিড়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শিবরাম চক্রবর্তী শিবাজী শিমন পেরেস শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শুভময় মিত্র শুভেন্দু অধিকারী শেখ মুজিবুর রহমান শেন ওয়ার্ন শ্রী সারদা দেবী শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভাগবত গীতা শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর শ্রীশ্রীআনন্দমূর্তি সক্রেটিস সত্যজিৎ রায় সমরেশ বসু সম্রাট আকবর সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন সান ইয়াত সেন সালমান রুশদি সিগমুন্ড ফ্রয়েড সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় সিমোন দ্য বোভোয়া সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সেবাস্তিয়ান লেলিয়ো সেরেনা উইলিয়ামস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সৌরভ গাঙ্গুলী স্টিফেন কিং স্টিফেন হকিং স্ট্যানলি কুব্রিক স্ট্রিট গ্যাং স্বামী বিবেকানন্দ স্যাম অল্টম্যান স্যার উইলিয়াম জোন্স স্লাভোজ জিজেক হওয়ার্ড জিন হজরত আলী হজরত মুহাম্মদ হযরত মুহাম্মদ হাইপেশিয়া হাফেজ ই সিরাজী হায়ায়ো মিয়াজাকি হিটলার হিপোক্রেটিস হিমাংশী নারওয়াল হেনরি ফোর্ড হেরাক্লিটাস হেরাস হেলমুট নিউটন হেলেন কেলার হোরেস হোসে সরামাগো
আরও দেখান

আরও দেখুন : 👉 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্মরণীয় উক্তি

অবতার অবৈতনিক শিক্ষা অভাবি মানুষ অভিবাসী অমুসলিমদের অধিকার অরাজনৈতিক লেখক অর্থ বা টাকা অর্থনীতি অর্থনৈতিক সংস্কার অর্ধসত্য অলসতা অসততা অসত্য অসহিষ্ণুতা অসাম্য অহিংসা আইন আইনজীবী আত্ম সমীক্ষা আত্মরক্ষা আদর্শ সমাজ আধুনিক বিজ্ঞান আধ্যাত্বিক জীবন আমলাতন্ত্র আমলাদের ভূমিকা আমেরিকান ড্রিম আমেরিকার আরব ইসরাইল যুদ্ধ ইংরেজ ঐতিহাসিক ইংরেজ শাসন ইউক্রেন ইউনিয়ন ইউপিএ সরকার ইচ্ছা ইতিহাস ইনকাম ট্যাক্স ইসরাইল ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ ইসরাইলি গণহত্যা ইসলাম ইসলাম ধর্ম ঈশ্বর ঈশ্বর-দর্শন উকিল উদারনীতি উদারপন্থী উদ্দেশ্য উদ্বাস্তু উন্নতি উন্নয়ন উপকথা উপনিষদ উৎপাদন উৎসব একনায়কতন্ত্র ওয়াকফ আইন ওয়াল স্ট্রিট ওষুধ ঔদ্ধত্য ঔপনিবেশিকতা কবি ও কবিতা কবিতা কমিউনিজম কর্ম কলকাতা কল্পনা কাজ কাপুরুষতা কার্য-কারণ সম্পর্ক কাশ্মীরের নিরাপত্তা কুম্ভ মেলা কুসংস্কার কূটনীতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৃষি ব্যবস্থা কৃষি ব্যবস্থার সমস্যা কৃষিকাজ কৃষির সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক কোরআন ক্যান্সার ক্যারিশমা ক্রিয়াবাদের মূলনীতি ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি ক্ষমতা ক্ষমাশীলতা ক্ষুদ্রতা ক্ষুধা খরা ও বন্যা খোলা বাজার অর্থনীতি গণতন্ত্র গণনা গণহত্যা গবেষণা গো ভক্তি গো-হত্যা ঘৃণা বিদ্বেষ চাওয়া চাকরি চিকিৎসা চিন চিনা প্রবাদ চিন্তা চেতনা ছাত্র যুব জঙ্গল জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব জনবহুল শহর জন্তু জমির অধিকার জলবায়ু জাতপাত জাতিবিদ্বেষ জাতীয় আয় জাতীয় সুরক্ষা এজেন্সি জাতীয়তাবাদ জাতীয় পতাকা জায়নবাদ জিজিয়া কর জীবন জীবিকা জৈন ধর্ম জ্ঞান জ্ঞান চর্চা জ্ঞানী জ্ঞানী ব্যক্তি ঝুঁকি ডাক্তার ডাক্তারের দায়িত্ব ডেমোক্রেটিক পার্টি তিক্ততা তীর্থ দয়া দারিদ্র দাসত্ব দায়িত্ব দুঃখ দুঃখী মানুষ দুঃখের কারণ দুর্নীতি দূষণ দেখা দেশ দেশ ও ধর্ম দেশদ্রোহী দেশপ্রেম দ্বিজাতিতত্ত্ব ধনতন্ত্র ধনী ও ক্ষমতাধর ধরিত্রী ধর্ম ধর্ম ও উদারতা ধর্ম ও রাজনীতি ধর্মগুরু ধর্মগ্রন্থ ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মরাষ্ট্র ধর্মান্তরকরণ ধর্মীয় নিপীড়ন ধর্ষণ ধার্মিক ধৈর্যশীলতা নজরদারি ব্যবস্থা নতুন চিন্তা নতুন প্রজন্ম নদী নাগরিকত্ব নামকরণ নারী নারী অধিকার নারী আন্দোলন নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন নারী স্বাধীনতা নারীবাদ নারীবিদ্বেষ নারীর সাফল্য নাস্তিকতা নিন্দা নিয়ম নির্বাচন নির্বাচন কমিশন নির্বোধ নীরবতা নেতৃত্ব নৈরাজ্য ন্যায়বিচার ন্যায় পথ চলার নীতি পরমাণু যুদ্ধ পরিবর্তন পরিবার ভেঙে যাওয়া পরিবেশ দূষণ পরিশ্রম পরিসংখ্যান পলিটিক্যল কারেক্টনেস পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত পহেলগাও পাগল পাপ পাসওয়ার্ড পুঁজি পুঁজিপতি পুঁজিবাদ পুথিপাঠ পুরুষ পুরুষ মানুষ পুরোহিত পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলা পূজা পৃথিবী পৃথিবীর সৃষ্টি পৌরাণিক কাহিনি প্যালেস্টাইন প্রকৃতি প্রতিকৃতি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি প্রতিজ্ঞা প্রতিবাদ প্রতিভা প্রয়াণ দিবস প্রযুক্তি প্রস্তুতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রিয় হবার কারণ প্রেম ফ্যাসিজম ফ্যাসিবাদ বক্তা বজ্রপাত বড় বিষয় বন্ধু বাঁশি বাঁশির সুর বাংলা ভাষা বাংলা ভাষা আন্দোলন বাংলা সাহিত্য বাংলাদেশ বাকস্বাধীনতা বাঙালি বার্ধক্য বিচার বিভাগের ক্ষমতা বিচার বিভাগের ভুল বিচারব্যবস্থা বিজয় বিজেপি সরকার বিজ্ঞান বিজ্ঞান চেতনা বিদ্যা বিদ্রোহ বিপর্যয় বিপ্লব বিবাহ বিশৃঙ্খলা বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বাস বিশ্বের মূল সমস্যা বুড়ো হাওয়া বুদ্ধি বুদ্ধিমত্তা বুদ্ধিমান মানুষ বৃহৎ শহর বেহেস্ত বৈবাহিক ধর্ষণ বৈষম্য বোঝাপড়া বৌদ্ধধর্ম ব্যক্তি জীবন ব্যক্তি স্বার্থ ব্যবসা ব্রাহ্মণ ব্রিটিশ শিল্প ব্যবস্থা ভক্তি ও ভক্তিভাজন ভগবান ভয় ভর্তুকি ভারত ভারতবর্ষ ভারতীয় জনগণ ভারতীয় সংবিধান ভারতীয় সেনাবাহিনী ভারতের অর্থনীতি ভারতের ধর্ম ভালো থাকা ভালো নাগরিক ভালোবাসা ভাষা ভাষার বিলুপ্তি ভোট ভ্রাতৃত্ববোধ মত প্রকাশের স্বাধীনতা মন মনুষ্যত্ব মনের ব্যথা মন্দির মন্দির-মসজিদ বিতর্ক মহাকুম্ভ মহান আত্মা মহাবিশ্ব মহাভারত মহামারী মা মাতৃভাষা মানব পাচার মানব সভ্যতা মানবধিকার মানবসম্পদ মানুষ মানুষ হত্যা মারাঠা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিউজিসিয়ান মিডিয়া মিথ্যা মুক্তির উপায় মুঘল সম্রাট মুসলমান মুসলিম বিজয় মৃত্যু মেধাবী মেয়েদের ক্ষমতা মোবাইল ফোন যুক্তি যুক্তিবাদী মানুষ যুদ্ধ রণকৌশল রাগ রাজধর্ম রাজনীতি রাজনীতিবিদ রাজনৈতিক ক্ষমতা রাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি রোগ নিরাময় লক্ষ্য লাল ফিতা লেখক শঙ্কা শান্তি শান্তি পর্ব শাস্তি শিক্ষক শিক্ষকতা শিক্ষা শিক্ষাল্পতা শিক্ষিত বাঙালি শিক্ষিত মানুষ শিখ গণহত্যা শিখ-বিরোধী দাঙ্গা শিল্পের ভাষা শিল্পের স্বাধীনতা শিশু শিশুশ্রম শুদ্ধ ও সঠিক চিন্তা শূদ্র জাতি শোষক শোষণ শ্রম শ্রমিক শ্রেণি শ্রীলঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠ সংখ্যালঘু সংগীত সংবিধান সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার সংবেদনশীলতা সংস্কার সংস্কৃত ভাষা সংস্কৃতি সততা ও শিক্ষা সতর্কতা সত্য সন্ত্রাসবাদ সন্দেহ সন্ন্যাসী সবুজ উদ্ভিদ সমাজ সমাজ বিষয়ক সমাজচ্যুত দল সমাজতন্ত্র সমৃদ্ধি সম্পদ সম্মান সম্মেলন সরকার সহিষ্ণুতা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সাধারণতন্ত্র সাফল্য সামাজিক স্বাধীনতা সাম্প্রদায়িকতা সাম্যবাদ সাম্রাজ্যবাদ সাহস সাহিত্যিক সিদ্ধান্ত সিনেমা বানানো সুখ সুন্দরতম জিনিস সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সুশাসন সৃষ্টিকর্তা সোনা সৌন্দর্য স্কুল বোর্ড স্ট্রিট গ্যাং স্ত্রীকে লেখা পত্র স্থায়িত্ব স্পিন বোলিং স্বপ্ন স্বর্গ স্বাধীনতা স্বাধীনতা সম্পর্কিত স্বামী স্বাস্থ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা স্লোগান হালকা হওয়া হাসি হিংসা হিন্দু হিন্দু ধর্ম হিন্দু মহাসভা হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক হিন্দু মেলা হিন্দু রাষ্ট্র হিন্দু শাস্ত্র হিন্দু সমাজ হিন্দুত্ব হিন্দুদের সুরক্ষা হিন্দুর ভগবান হিন্দুশাস্ত্রে বিজ্ঞান
আরও দেখান

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ